স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকের রেকর্ড গড়লেন বাঁ-হাতি পেসার মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।
গতরাতে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিপিএলের ২০তম ম্যাচে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে রংপুর রাইডার্সের হয়ে হ্যাটট্রিক করেন মৃত্যুঞ্জয়। এর ফলে বিপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকের নজির স্থাপন করলেন তিনি। এর আগে ২০২২ সালের আসরে সিলেট সানরাইজার্সের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন এই তরুণ পেসার।
নোয়াখালী এক্সপ্রেস টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৫ ওভারে ১৪৮ রানে অলআউট হয়। ইনিংসের শেষ ওভারে তৃতীয়বারের মতো আক্রমণে আসেন মৃত্যুঞ্জয়। ওভারের তৃতীয় বলে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, চতুর্থ বলে জহির খান এবং পঞ্চম বলে বিলাল সামিকে আউট করে পূর্ণ করেন হ্যাটট্রিক।
ম্যাচে তিনি ২.৫ ওভার বল করে ৪৩ রানে ৩ উইকেট নেন। প্রথম দুই ওভারে দিয়েছিলেন ২৫ রান—প্রথম ওভারে ১৪ এবং দ্বিতীয় ওভারে ২১। তবে শেষ ওভারে হ্যাটট্রিক করেও দলকে জেতাতে পারেননি মৃত্যুঞ্জয়; রংপুর রাইডার্স হেরে যায় নোয়াখালীর কাছে ৯ রানে।
চলতি আসরে মৃত্যুঞ্জয় দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক করা বোলার। এর আগে গত মাসে সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বাঁ-হাতি পেসার মেহেদি হাসান রানা হ্যাটট্রিক করেছিলেন।
বিপিএলের ইতিহাসে এটি দশম হ্যাটট্রিক এবং ষষ্ঠ বাংলাদেশি বোলারের কীর্তি। পাকিস্তানের দু’জন, ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের একজন করে বোলারও বিপিএলে হ্যাটট্রিক করেছেন।
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিপিএলে হ্যাটট্রিক করেছিলেন পেসার আল-আমিন হোসেন। এরপর অফ-স্পিনার আলিস আল ইসলাম, মৃত্যুঞ্জয়, শরিফুল ইসলাম এবং মেহেদি হাসান রানা হ্যাটট্রিকের তালিকায় নাম লেখান।
বিপিএলের প্রথম হ্যাটট্রিকম্যান ছিলেন পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ সামি। ২০১২ সালে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে দুরন্ত রাজশাহীর হয়ে খেলতে নেমে তিনি হ্যাটট্রিক করেছিলেন।