মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৩ চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৭ রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন সোনা রতন-দীনময়

এইচ এম প্রফুল্ল, (খাগড়াছড়ি) : নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সোনা রতন চাকমা ও গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী দীনময় রোয়াজা। সোমবার দুপুরে বিষয়টি দুই প্রার্থী নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

সোনা রতন চাকমা জানান, এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন তালিকায় কয়েকজন ভোটারের নম্বর অসম্পূর্ণ থাকায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। পরে তিনি ইসিতে আপিল করলে কমিশন তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে। তিনি বলেন, “এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নেওয়া খুব কঠিন কাজ। সামান্য ভুলের জন্য ঢাকায় আসা ভোগান্তিকর। জেলা নির্বাচন অফিসেই এসব ক্রুটি সমাধান করা সম্ভব। তাই এই বিধান বাতিল করা উচিত।”

দীনময় রোয়াজা বলেন, তার ব্যাংকে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত একটি ছোট সমস্যা ছিল। এজন্য তাকে আপিল করতে হয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর ইসি তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে।

গত ৩ জানুয়ারি শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে খাগড়াছড়ি জেলায় মোট ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন—বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা আনোয়ার হোসাইন মিয়াজী, গণঅধিকার পরিষদের দীনময় রোয়াজা, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. মোস্তাফা, স্বতন্ত্র প্রার্থী সন্তোষিত চাকমা, লাব্রিচাই মারমা, সমীরণ দেওয়ান ও জিরুনা ত্রিপুরা। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্বতন্ত্র তিন প্রার্থীর ক্ষেত্রে এক শতাংশ সমর্থক না থাকায় এবং অন্যদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির কারণে তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

খাগড়াছড়ি জেলা নির্বাচন অফিসার এস এম শাহাদাত হোসেন জানান, বাতিল হওয়া সাতজন প্রার্থীর মধ্যে ছয়জন ইসিতে আপিল করেছেন। আপিল করা অন্য চারজন হলেন—বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা আনোয়ার হোসাইন মিয়াজী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. মোস্তাফা, স্বতন্ত্র প্রার্থী জিরুনা ত্রিপুরা ও সমীরণ দেওয়ান।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।