মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
৮ জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

নতুন টাকার বিক্রেতা আছে, ক্রেতা নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক : সারি সারি সাজানো রয়েছে নতুন টাকার বান্ডিল তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী ক্রেতা পাচ্ছেন না দোকানিরা। এদিকে মাঝে মধ্যে দুই-একজন ক্রেতা এলেও নতুন নোটের বান্ডিলের উচ্চমূল্যে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই।

আজ (সোমবার) রাজধানীর গুলিস্তানের সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের সামনে দোকান মালিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, গুলিস্তান সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের সামনে সারি সারি বসেছে নতুন টাকা বিক্রির দোকান। একজন ক্রেতা গেলেই হাঁকডাক করছেন সব বিক্রেতা। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছেন দোকানিরা।

দেখা গেছে, প্রতিটি পাঁচ টাকার বান্ডিলে রয়েছে পাঁচশত টাকা। এর প্রতিটি বান্ডিল নিতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা অবধি।

দশ টাকার প্রতিটি বান্ডিল বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ টাকা করে। ২০ টাকার বান্ডিলে ২ হাজার টাকা থাকলেও অতিরিক্ত ৪০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। ৫০ টাকার বান্ডিলে ৫ হাজার টাকা থাকলেও ৫ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১০০ টাকার নোটের বান্ডিল নিতেও দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা।

নতুন নোট বিক্রেতা রজব আলী বলেন, অন্য সময় ভালো বিক্রি হতো কিন্তু এবার ঈদে ক্রেতাই নেই। কেউ এলেও দাম শুনে চলে যাচ্ছে। বেচা-বিক্রি নেই একদম। সামনে বিক্রি হওয়ার খুব একটা সম্ভাবনাও নেই।

লোকমান হোসেন নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, সবাই আসে আর চলে যায়। বিক্রি তেমন হয় না। আমরাও তো কিনে আনি। বেশি দামে কিনতে হয় আমাদের। তাই বেচাও লাগে বেশি দামে। কিছুই করার নেই। এই করেই তো আমাদের সংসার চালাতে হয়। বউ-বাচ্চার মুখে খাবার যায়।

নতুন নোট কিনতে আসা জুবায়ের আহমেদ বলেন, বাড়িতে বাচ্চাদের জন্য নতুন নোট কিনতে এসেছিলাম কিন্তু দাম অনেক। ১ হাজার টাকা নিলে কীভাবে অতিরিক্ত চারশত থেকে পাঁচশত টাকা নেয় বুঝে আসে না। এটা অন্যায্য।

সুমন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, নতুন নোট কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু যে দাম তাতে কেনা হবে না। গলা কাটার মতো টাকা নিচ্ছে এরা।