নিজস্ব প্রতিবেদক : পরবর্তী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নির্ধারিত সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিষয়টি উত্থাপিত হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যেই কমিশন কাজ করছে।’
প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রথমবারের মতো তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর (আইটি সাপোর্টেড) পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করেছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনেও এই ব্যবস্থা বহাল থাকবে। সর্বোচ্চসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিকে এ ব্যবস্থার আওতায় আনতে কমিশন কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘আপাতত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের (মেম্বার) বেতন-ভাতা বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।’
জেলা পরিষদের কাঠামো নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ অনুযায়ী সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের অধীন নির্বাচিত সংশ্লিষ্ট জেলার সংসদ সদস্যরা জেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনায় পরামর্শ দেবেন।