শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১০ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার আবারও কমাল সরকার

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত সঞ্চয় কর্মসূচির মুনাফার হার আবারও কমিয়ে পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন হার অনুযায়ী সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মুনাফার হার হবে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এর আগে গত জুলাই মাসেও মুনাফার হার কমানো হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন হার একই দিন থেকে কার্যকর হয়েছে।

নতুন আদেশ অনুযায়ী, কম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার তুলনামূলকভাবে বেশি রাখা হয়েছে। বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কমানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই পরিমাণ বা এর কম বিনিয়োগে মুনাফার হার বেশি হবে, আর এর বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার কমে আসবে।

নতুন মুনাফার হার

  • পরিবার সঞ্চয়পত্র : এতদিন সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ; এখন তা কমিয়ে করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশ। সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ; এখন তা কমিয়ে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ করা হয়েছে।
  • পেনশনার সঞ্চয়পত্র : সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ; এখন তা কমিয়ে করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ। সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ; এখন থেকে তা হবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ।
  • বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র (পাঁচ বছর মেয়াদি) : সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ; এখন থেকে তা হবে ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ। সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ; এখন থেকে তা হবে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ।
  • তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র : সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ; এখন থেকে তা হবে ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ। সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ; এখন থেকে তা হবে ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ১ জুলাই ২০২৫ তারিখের আগে ইস্যু হওয়া সব জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ক্ষেত্রে ইস্যুকালীন মেয়াদে নির্ধারিত মুনাফার হারই প্রযোজ্য হবে। তবে পুনর্বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পুনর্বিনিয়োগের তারিখে কার্যকর মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে। প্রতি ছয় মাস পর মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণ করা হবে।