খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : টানা প্রবল বর্ষণে খাগড়াছড়ির বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে | জেলা সদরের গঞ্জপাড়া, দীঘিনালার কবাখালী ও মেরুং-এ ৫শতাধিক পরিবার পানি বন্দি হয়ে পড়েছে| দীঘিনালার কবাখালী ও মেরুং সড়ক পালিতে তালিয়ে যাওয়ার খাগড়াছড়িসহ সারাদেশের সাথে সাজেক,বাঘাইছড়ি ও লংগদুর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে| জেলায় খোলা হয়েছে ১৩৫ টি আশ্রয় কেন্দ্র| শতাধিক পরিবার বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে|পাহাড়ের পাদদেশে ও নদী তীরবর্তী বসবাসকারীদের নিরাপদ সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে| দুর্গত এলাকায় ওয়াদুদ ভূইয়া এমপির পক্ষ থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে| চেঙ্গী, মাইনী ও ফেনী নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে| বর্ষণ অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি ঘটার শংকা রয়েছে|
এছাড়া জেলা শহরে কলাবাগান, নেন্সিবাজার, মোল্লাাপাড়া, ˆকবল্যপিঠ, আঠার পরিবার, শালবন ও মোহাম্মদপুরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের ঢালে ঢালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাস করছে সহস্রাধিক পরিবার|
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো: আনোয়ার সাদাত জানান, টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পাহাড়ের পাদদেশে ও নদীর তীরবর্তি বসবাসকারীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে| জেলায় ১৩৫টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে| বন্যা দর্গতদের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে|
খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ির ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি ঢল, নিচু এলাকা এবং দুর্গম অঞ্চলের বসবাসকারী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারি সংস্থাসমূহকে সর্বোচ্চ তৎপর থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন| তিনি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা ও জরুরি উদ্ধার তৎপরতাসহ সর্বাত্মক সরকারি ও বেসরকারি এবং জেলা বিএনপি, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন সমূহের তত্ত্বাবধানে শুকনো খাবার ও খিচুড়ি বিতরণের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন|