যশোর প্রতিনিধি : যশোরে মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা খন্দকার এনাম সিদ্দীকি (৩২) গুরুতর জখম হয়েছেন।
রোববার সকাল ৮টার দিকে সদর উপজেলার এনায়েতপুর পীরবাড়ির সামনে এই ঘটনা ঘটে।
এদিকে দুর্বৃত্তরা জুলাই যোদ্ধার উপর হামলার ঘটনাই নিন্দা ও প্রতিবাদ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
আহত খন্দকার এনাম সিদ্দিকী সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামের মৃত: খন্দকার আমিনুল্লাহর ছেলে ও ২০২৪ জুলাই আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য।
আহত খন্দকার এনাম সিদ্দিকীর চাচাতো ভাই খন্দকার মোহন জানিয়েছেন, রোববার সকাল ৮টার দিকে নাস্তা করে কোয়েলের খাঁচা কিনার জন্য স্থানীয় বাজারে যান এনাম। কিন্তু খাঁচা পছন্দ না হওয়ায় বাজার থেকে পায়ে হেঁটে বাড়িতে ফেরছিলেন এনাম সিদ্দিকী। পথিমধ্যে এনায়েতপুর গ্রামের পীরবাড়ির সামনে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা ২জন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত তাকে ছুরিকাঘাত করে জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন বাড়িতে খবর দিলে বাড়ির লোকজন এনাম সিদ্দিককে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
তিনি আরো জানান, পীর বাড়ির লোকজনই তাকে ছুরিকাঘাত করে জখম করেছেন বলে অভিযোগ করেন।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার বিচিত্র মল্লিক জানিয়েছেন, আহতের মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বুকের ডান পাশের উপরে, বাম হাতের ডানা ও কাধের উপরে চাকু দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত কাটা জখম করা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, সংবাদ শুনে বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। তার নির্দেশে দলীয় নেতাকর্মীরা দ্রুত হাসপাতালে যান এবং এনাম সিদ্দিকির চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘটনায় জড়িতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।