শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৬ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১০ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

জাতীয় পার্টির চার প্রার্থী বৈধ, একজন অপেক্ষমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন নিয়ে আপিলের প্রথম দিনে ৭০টি আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৫২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। বাতিল হয়েছে ১৫ জনের আবেদন এবং স্থগিত রাখা হয়েছে ৩টি আপিল। বৈধ ঘোষিতদের মধ্যে জাতীয় পার্টির চারজন প্রার্থী রয়েছেন।

এদিকে পাবনা–১ ও পাবনা–২ আসনের নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার পর্যন্ত আপিল করার শেষ দিনে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আবেদন জমা পড়ে। এর আগে যাচাই–বাছাই পর্বে সারা দেশে ৭২৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছিল।

প্রথম দিনের শুনানিতে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর আবেদন বৈধ ঘোষণা হয়, আবার কিছু আবেদন অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী জানান, দল থেকে মোট ২৫টি আপিল করা হয়েছিল। এর মধ্যে প্রথম দিনে পাঁচটির শুনানি হয়। চারটি গৃহীত হয়েছে, আর একটি এখনো পেন্ডিং রয়েছে। তিনি বলেন, “চাঁপাইনবাবগঞ্জ–২ আসনের প্রার্থীর মনোনয়ন আগে অবৈধ হয়েছিল, এখন তা বৈধ হয়েছে।”

এছাড়া নারায়ণগঞ্জ–৪, নরসিংদী–১ এবং শরীয়তপুর–১ আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থীরাও আপিলে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন।

এদিন আলোচিত কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়নও বৈধ ঘোষণা করা হয়। ঢাকা–৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা বলেন, “বলেছিলাম যে দৃঢ় বিশ্বাস আছে, আপনাদের সমর্থন নিয়েই আগামী নির্বাচনে লড়াই করতে পারব। ইনশাল্লাহ সবার সাথে দেখা হবে।”

জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদের পক্ষে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহমুদ বলেন, “একটি গ্রাউন্ডে বলা হয়েছিল তিনি সাজাপ্রাপ্ত। সেই কারণে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন বাতিল করেছিলেন। আজ আমরা পূর্ণাঙ্গ শুনানি করেছি।”

আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল শুনানি চলবে। প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি এবং নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি।

পাবনা–১ ও পাবনা–২ আসনের নির্বাচন স্থগিত থাকবে সর্বোচ্চ আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।