শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২ ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল কেনা নিয়ে নির্দেশনা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। রাজধানী ঢাকায় জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জ্বালানি তেলের জন্য স্টেশনে স্টেশনে ভিড় দেখা যাচ্ছে। এমনকি লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। এমনকি অতিরিক্ত জ্বালানি সংরক্ষণেরও চেষ্টা করছেন অনেকে।

এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার নতুন কিছু নির্দেশনা জারি করেছে। এতে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে—ফিলিং স্টেশনগুলো কতটুকু জ্বালানি সরবরাহ করতে পারবে এবং ভোক্তারা কতটুকু জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারবেন। পাশাপাশি ডিপো থেকে ফিলিং স্টেশনগুলো কী পরিমাণ জ্বালানি তুলতে পারবে, সেটিও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার জ্বালানি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণ/প্রদানের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে:

১. ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে।

২. ফিলিং স্টেশন থেকে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ/বিল প্রদর্শন করতে হবে।

৩. ডিলাররা বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তা প্রান্তে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে।

৪. ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল উত্তোলন করবে।

৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহ দেওয়ার পূর্বে বর্তমান বরাদ্দের আলোকে মজুত ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করবে, কোনোভাবেই বরাদ্দের বেশি দেওয়া যাবে না।