শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২ ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৭ রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

রমজানে শিশুদের সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্য সচেতনতা

ফিচার ডেস্ক : রমজান আত্মসংযম ও ইবাদতের মাস। পরিবারের বড়রা যখন রোজা ও ইবাদতে মশগুল থাকেন, তখন ঘরের ছোট সদস্যদের দৈনন্দিন রুটিনে কিছুটা পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। শিশুরা রোজা না রাখলেও রমজানের আধ্যাত্মিক পরিবেশ তাদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। তবে এ সময় শিশুদের সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। ব্যস্ততার মধ্যেও তাদের খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্য ঠিক রেখে আনন্দময় পরিবেশ উপহার দেওয়া প্রয়োজন।

আর্লি চাইল্ডহুড এডুকেটর মাহমুদা মনিকা বলেন, এক থেকে দুই বছরের শিশুরা সাধারণত বুকের দুধ খায় বলে মায়ের পর্যাপ্ত খাবার ও পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি। মায়ের যেন ডিহাইড্রেশন না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে। যেসব শিশু স্বাভাবিক খাবার খায়, তাদের জন্যও সুষম খাদ্য তালিকা তৈরি করা জরুরি।

সকাল : শিশুকে দেওয়া যেতে পারে ডিম, দুধ, ওটস, প্যানকেক, রুটি, ফল ও বাদাম। বিশেষ করে তরমুজ, আনারস, বাঙ্গি, আঙুর, কমলার মতো ফল ডিহাইড্রেশন কমাতে ও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহে সহায়ক।

দুপুর : সেহরিতে খাওয়া ভাত, ডাল, মাছ, মাংস ও সবজি আলাদা করে রাখা যেতে পারে। এ ছাড়া বাসায় তৈরি স্যান্ডউইচ, পাস্তা, দই, নুডলস বা চিকেন আইটেম দেওয়া যেতে পারে। দুপুরে শিশুর হাইড্রেশন নিশ্চিত করা বিশেষ জরুরি।

বিকেল : ইফতার প্রস্তুতির সময় শিশুকে সালাদ বা কাটা সবজি দেওয়া যেতে পারে। এরপর পরিবারের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর ও কিছুটা ভারী ইফতার করলে রাতের খাবারও নিশ্চিত হয়ে যায়। ইফতারে রাখা যেতে পারে দই, চিড়া, কলা, দুধ, সাবু দানা, ফ্রুট সালাদ, হেলদি স্যুপ, সবজি খিচুড়ি ও বাসায় বানানো পাকোড়া।

রাত : পরিবারের সঙ্গে ইফতারে অংশ নেওয়ার পর রাতের খাবারে শুধু দুধ বা দুধজাত খাবারই যথেষ্ট।