মুক্তবাণী রিপোর্ট : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ করে বিদেশে দেশিয় মাছ রপ্তানির লক্ষে সরকার কাজ করছে। এজন্য মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং তা সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
শনিবার বিকালে রায়পুর সরকারি মৎস্য প্রজনন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদীতে দুই মাস ইলিশ না ধরলে, আপনাদেরই লাভ। পরে বড় মাছ ধরবেন। আপনারা ইলিশ ধরা থেকে দুই মাস বিরত থাকলে, দেশের সম্পদ বাড়বে। এই সম্পদ আপনাদেরই। বড় ইলিশ ধরবেন, বাজারে বেশি দামে বিক্রি করবেন। টাকা যাবে আপনাদের পকেটে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপনাদের সবার খোঁজ রাখেন, কে কিভাবে আছেন। আপনারাও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, সবাই পাবেন। কেউ কার্ড থেকে বঞ্চিত হবেন না। জেলেদের যে তালিকা করছি, যারা বাদ আছেন তাদের তালিকাভুক্তির আওতায় আনব। আপনারা নিয়মের ব্যত্যয় ঘটাবেন না। আপনাদের স্বার্থ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের। আপনার কোনটা ক্ষতি কোনটা লাভ আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে।
সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট সরকার বলতো, তারা নাকি উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়েছে। লক্ষ্মীপুরের মান্দারীর মৎস্য খামারটির অবস্থা দেখলেই বুঝা যায়, তারা কী উন্নয়ন করেছে। নামমাত্র উন্নয়নে দুর্নীতি করেছে, তারা লুটপাট করেছে। জনগণের সেবক হিসেবে আমরা কাজ করব। জনগণের সেবা দেওয়ার জন্যই আপনারা আমাদের নির্বাচিত করেছেন।
তিনি বলেন, ৪০ হাজার পরিবারকে আমরা সহায়তা দিচ্ছি। এর আগে শুধু চাল দেওয়া হতো। এবারের প্রকল্প ৪০ হাজার পরিবারকে যে সহায়তা দিচ্ছি, এতে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার মতো লাগছে। আমাদের সরকার মাত্র দেড় মাসের সরকার। যে পরিমাণ জিনিস দিচ্ছি, কেউ কম পাবেন না। দুই মাসের খাবার দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জেলেদের কথা বিবেচনা করে প্রায় ৪০ হাজার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। আগে জেলেদের লিস্ট ঠিক ছিল না, এবার আমরা নতুন করে লিস্ট করেছি। আগে চাল দিতে দুর্নীতি করেছে, আমরা এবার সার্বক্ষণিক খোঁজ রেখেছি। দুর্নীতিকে কখনোই প্রশ্রয় দেব না, এটা আমাদের অঙ্গীকার।