শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৮ শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ফুয়েল পাসেও কমছে না অপেক্ষার ভোগান্তি

বিশেষ প্রতিবেদক : ফুয়েল পাস চালু হলেও রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে বাইকারদের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার ভোগান্তি কমছে না। তবে পাসধারীরা তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি তেল পাচ্ছেন।

পাঠাও চালক মাহমুদ হোসেন জানান, সকাল ৮টা থেকে আসাদগেটের সোনার বাংলা ফুয়েল স্টেশনে লাইনে দাঁড়িয়ে দুপুর ১টার পর তেল নিতে সক্ষম হয়েছেন।

তিনি বলেন, “ফুয়েল পাস থাকলেও ৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। পাসধারীরা কিছুটা বেশি তেল পাচ্ছেন, কিন্তু ভোগান্তি কমছে না।”

একই স্টেশনে অপেক্ষারত বাইকার নাজমুল বলেন, “৩ ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। পাস চালু করেও লাইন কমলো না।”

স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, ফুয়েল পাসধারীদের ১ হাজার টাকার এবং পাসহীনদের ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে।

বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে পাসধারী ও পাসহীন বাইকাররা একই লাইনে অপেক্ষা করছেন। এখানে পাসধারীরা ১২০০ টাকার এবং পাসহীনরা ১ হাজার টাকার তেল পাচ্ছেন। আগে সর্বোচ্চ ৬০০ টাকার তেল দেওয়া হতো।

কাউছার আহমেদ জানান, সকাল ৭টা থেকে দাঁড়িয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় তেল নিতে পেরেছেন।

ফুয়েল পাস থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে মো. ইমতিয়াজকে। তিনি বলেন, “৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে, তবে পাসের কারণে ট্যাংকি পূর্ণ করতে পেরেছি।”

এদিকে কারিগরি উন্নয়নের কাজে গত শনিবার থেকে বন্ধ ছিল ফুয়েল পাসের সাইট। রোববার রাত থেকে তা পুনরায় চালু হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের আইসিটি শাখার সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী মো. রাজিবুল হক রাজিব জানান, সাইটটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। বিআরটিএর ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া ধীরগতির হওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। প্রচুর হিট পড়ায় সিকিউরিটি কনসার্নও দেখা দিয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই সাইটের যাবতীয় সমস্যা সমাধান হবে।