মুক্তবাণী রিপোর্ট : আসন্ন হজ পালনে সৌদি আরবের মিনা ও আরাফা তাবু সার্বিক প্রস্তুতি কার্যক্রম পরিদর্শন করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল। পরিদর্শনকালে হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আয়াতুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আয়াতুল ইসলাম বলেন, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে হজ অনুষ্ঠিত হবে। হজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তারা নিয়মিতভাবে মিনা ও আরাফা তাবু নির্মাণ, টয়লেট, আসবাবপত্র ও অন্যান্য অবকাঠামোগত কাজ মনিটরিং করছেন।
তিনি বলেন, আজ আমরা মিনার তাবু নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেছি। হাজিরা যেন আরামদায়কভাবে অবস্থান করতে পারেন, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই এবারের হজ ব্যবস্থাপনা আরও সুন্দর, সুষ্ঠু ও সাবলীল হোক।
তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিব সার্বক্ষণিকভাবে পুরো কার্যক্রম মনিটরিং করছেন। সৌদি আরবে অবস্থানরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন, যাতে কোনো ধরনের ত্রুটি না থাকে।
তাবু ব্যবস্থাপনা নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশি হাজিদের জন্য নির্ধারিত জোনেই তারা অবস্থান করবেন। সরকারি ও বেসরকারি হাজিদের জন্য পৃথক জোন নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আশ্বাস দিয়েছে।
ড. আয়াতুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা আরাফা ও মুজদালিফাও পরিদর্শন করেছি। তাবু নির্মাণের অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা দেখে আমরা আশাবাদী যে এবার একটি সফল ও সুশৃঙ্খল হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এবারের হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত ও যাত্রীবান্ধব করতে সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। সৌদি সরকারের অধীনে কাজ করা বিভিন্ন কোম্পানিকেও এ বিষয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং তারাও সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
বাংলাদেশ হজ মিশনের কাউন্সিলর মো. কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা মিনার তাবুগুলো পরিদর্শন করছি। এই কার্যক্রম হজ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। ইতোমধ্যে হজের বিভিন্ন কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজগুলোও সফলভাবে সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আল্লাহর রহমতে এ বছর হাজিদের জন্য একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও স্বস্তিদায়ক হজ ব্যবস্থাপনা উপহার দিতে পারব বলে আমরা আশাবাদী।
ইতোমধ্যে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫২ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছে। তাদের সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।