স্পোর্টস ডেস্ক : আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিল সুইজারল্যান্ড। ১০ মিনিটের মাথায় কর্ণার থেকে গোল হজম করেছিল সুইসরা। এরপর প্রথমার্ধে আর সমতায় ফিরতে পারেনি দলটি। দ্বিতীয়ার্ধের অর্ধেকের বেশি সময়ও পিছিয়েই ছিল ইউরোপিয়ান দলটি। তবে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে ড্যান ডয়ের দুর্দান্ত এক গোলে সমতা ফিরিয়েছে সুইসরা।
কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে সুইসদের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই গোছানো ফুটবল খেলছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। এরই ধারাবাহিকতায় শুরুতেই গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ১০ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দিয়েছেন ম্যাক আলিস্টার। মেসির কর্নার থেকে পাওয়া বলকে হেডে জালের ঠিকানা দেখান এই লিভারপুল মিডফিল্ডার।
এদিকে শুরতেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়া সুইসরা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে লড়াই করেছে। তবে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ড এবং রক্ষণভাগ সুইজারল্যান্ডের আক্রমণ সফল হতে দেয়নি।
ফলে প্রথমার্ধে বল দখলে এগিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের খুব বেশি পরীক্ষা নিতে পারেনি সুইসরা। বল দখলে বেশ এগিয়ে থাকলেও প্রথম ৪৫ মিনিটে গোলের লক্ষ্যে কেবল ১টিই শট নিতে পেরেছে সুইসরা। বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে সেসব কাজে লাগাতে পারেনি ইউরোপিয়ান দলটি।
এদিকে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর পর সমতায় ফিরতে আবার মরিয়া লড়াই শুরু করে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের ৫০ মিনিটে দারুণ এক সুযোগও পেয়েছিল দলটি। কিন্তু লিসান্দ্রো মার্তিনেজের দারুণ ডিফেন্ডিং এবং নিজেদের ফিনিশিং ব্যর্থতায় গোলটি পায়নি সুইসরা।
এরপর ৬৭ মিনিটে গোলের খাতা খোলে সুইসরা। রুণ এক আক্রমণে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে সমতায় ফিরিয়েছেন ড্যান এনদোয়ে। দলীয় আক্রমণে রিকার্দো রদ্রিগেজের পাস থেকে গোলটি করেন এনদোয়ে। তবে সমতায় ফেরার পরই দুঃসংবাদ পায় ইউরোপিয়ান দলটি।
৭২ মিনিটে ডাইভ দিয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পর লাল কার্ড দেখেন ব্রিল এমবোলো। এর ফলে তাঁকে ফাউলের অভিযোগে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে দেখানো হলুদ কার্ডটি বাতিল হয়ে যায়।