মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১০ রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

আতলেতিকো ম্যাচের রেফারিংকে ‘লজ্জাজনক’ বললো রিয়াল মাদ্রিদ টিভি

স্পোর্টস ডেস্ক : রিয়াল মাদ্রিদ এবং আতলেতিকো মাদ্রিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত ডার্বি ম্যাচের রেফারিং নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছে রিয়াল মাদ্রিদ টিভি। রেফারি অর্তিস আরিয়াসের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে কড়া আক্রমণ শানিয়েছে তারা।
জুড বেলিংহামের ওপর কুতি রোমেরোর ফাউল এবং ফেদেরিকো ভালভের্দের ওপর কাং-ইন লির ফাউল, দুটোই আরও কঠোর শাস্তি পাওয়ার যোগ্য ছিল বলে দাবি করেছে তারা।

চ্যানেলটির মতে, বেলিংহামের ওপর রোমেরোর ফাউলে সরাসরি লাল কার্ড প্রাপ্য ছিল। কিন্তু রেফারি অর্তিস আরিয়াস কেবল হলুদ কার্ড দেখিয়েই ক্ষান্ত হন। রিপ্লে দেখার পর এ বিষয়ে তারা বলে, ‘কী লজ্জাজনক। কতটা নোংরা। রোমেরোর জন্য হলুদ কার্ড?’

এখানেই থেমে থাকেনি সমালোচনা। ভালভের্দের ওপর কাং-ইন লির ফাউলেও লাল কার্ড হওয়া উচিত ছিল বলে দাবি করে চ্যানেলটি। তাদের যুক্তি, এই দুই ঘটনার কারণে নয় জন খেলোয়াড় নিয়ে ম্যাচ শেষ করা উচিত ছিল আতলেতিকোর।

ভিএআর পর্যালোচনার পর হাউসেনকে লাল কার্ড দেখানো হলে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায় চ্যানেলটির। তাদের মতে, এই সিদ্ধান্তের কারণে আরও কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে যায় রিয়াল মাদ্রিদ।

তারা বলে, ‘এটা নিয়ে তর্ক হতে পারে, তবে আতলেতিকোর উচিত ছিল নয় জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলা। যে দলের দশ জন নিয়ে খেলার কথা ছিল, তারাই এখন এক জন অতিরিক্ত খেলোয়াড় নিয়ে খেলছে। এভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা খুবই কঠিন।’

নিয়ম প্রয়োগে খামখেয়ালিপনার অভিযোগও তোলে চ্যানেলটি। তারা বলে, ‘নিয়মগুলো খেয়ালখুশি মতো প্রয়োগ করা হচ্ছে। এখন তারা নিয়ম প্রয়োগ করছে, অথচ আগে ভীরুতার কারণে তা এড়িয়ে যেত। এটা প্রতিযোগিতার সঙ্গে প্রতারণা।’

ডার্বিতে অর্তিস আরিয়াসের সিদ্ধান্তগুলো আগের কিছু রেফারিং বিতর্কের সঙ্গেও তুলনা করা হচ্ছে। এই রেফারি এবং স্প্যানিশ রেফারিং ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আক্রমণ শুরু করে চ্যানেলটি। ম্যাচ শুরুর আগেও তার নিয়োগ নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল তারা।

বার্সেলোনা এবং অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের ম্যাচের পর বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের সঙ্গে তার সৌহার্দ্যপূর্ণ বার্তালাপের কথাও তুলে ধরে তারা। এছাড়া ম্যাচের সময় শাস্তি না পাওয়া বেশ কিছু ফাউলের কথাও উল্লেখ করে তারা।

ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে রেফারির নিয়োগ প্রসঙ্গে কথা বলেন কোচ মরিনিও। তিনি বলেন, ‘ম্যাচের আগে রেফারিদের নিয়ে কথা বলতে আমার ভালো লাগে না।’

তবে এক সপ্তাহ আগেই ডার্বির রেফারির নাম জেনে যাওয়ার বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। অন্য ম্যাচগুলোতে এমনটা হয় না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।