মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১৭ জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

ভাগ্য খুললো নুসরাত তাবাসসুমের, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হলেন সংসদ সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (৪ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান।

তিনি জানান, নুসরাত তাবাসসুমকে নির্বাচিত ঘোষণা করে কমিশনের কাছে নথি পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে তার গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে।

এই আসনের নির্বাচন নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই ব্যাপক নাটকীয়তা চলছিল। গত ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে জামায়াত জোটের মূল প্রার্থী মনিরা শারমিনের সরকারি ব্যাংকের অবসরের সময়সীমা নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে বিকল্প হিসেবে নুসরাত তাবাসসুমের নাম সামনে আসে। সময়ের ১৯ মিনিট পরে জমা দেওয়ায় শুরুতে নুসরাতের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়নি এবং পরবর্তীতে ২৩ এপ্রিল বাছাইয়ে মনিরা শারমিনের আবেদন বাতিল হয়ে যায়। এই অবস্থায় নুসরাত হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তার মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশনায় গত ২ মে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ৩ মে বৈধ প্রার্থীর তালিকায় নুসরাতের নাম প্রকাশ করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তবে নুসরাত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও বিষয়টিতে এখনো একটি আইনি সমীকরণ বাকি আছে।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, মনিরা শারমিনও তার প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেছেন। যদি আদালত মনিরার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার নির্দেশ দেন, তবে এই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং জামায়াত জোটের ভোটাররা দুই প্রার্থীর মধ্যে একজনকে বেছে নিতে পারবেন। আদালতের পক্ষ থেকে ভিন্ন কোনো নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত আপাতত নুসরাত তাবাসসুমই হচ্ছেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ নম্বর সংসদ সদস্য।

উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে আসন সংখ্যার অনুপাতে বিএনপি জোটকে ৩৬টি, স্বতন্ত্র জোটকে একটি এবং জামায়াত জোটকে ১৩টি আসন বণ্টন করে দিয়েছিল ইসি। নুসরাতের আসনটি বাদে বাকি ৪৯টি আসনে প্রার্থীরা আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন।