ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম : থাইরয়েড হরমোন আমাদের গলার সামনে অবস্থিত থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। এটি শরীরের প্রতিটি অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
কাবেজ জাতীয় সবজি—যেমন ফুলকপি, বাঁধাকপি ও লেটুসপাতায় থাকে গয়ট্রোজেন নামক উপাদান, যা থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে বাধা দেয়। তাই হাইপোথাইরয়েড রোগীদের এসব সবজি কাঁচা অবস্থায় খাওয়া উচিত নয়। তবে রান্না করে অল্প পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।
শীতকালে থাইরয়েড রোগীদের হরমোনের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে দুর্বলতা, ঠান্ডা অনুভূতি এবং কাজের গতি কমে যেতে পারে।
থাইরয়েড রোগীদের ত্বক সাধারণত শুষ্ক থাকে। শীতে তা আরও শুষ্ক হয়ে ওঠে। তাই গোসলের পর নিয়মিত ময়শ্চারাইজার, লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করুন। ত্বকে চুলকানি বা র্যাশ দেখা দিলে চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
প্রতি ৩ থেকে ৬ মাস পর হরমোন পরীক্ষা ও এন্ডোক্রাইনোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসকের নির্দেশ ছাড়া ওষুধের মাত্রা কমানো বা বাড়ানো যাবে না।
ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম, এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট, ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল, কাকরাইল, ঢাকা।