ঢাবি প্রতিবেদক : জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সারা দেশে ছাত্র-জনতা হত্যার ঘটনায় দায়ী থানার ওসি, এসপি ও ঊর্ধ্বতন কমান্ডিং কর্মকর্তাদের তালিকা প্রস্তুত করে আইসিটি ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি রিফাত রশিদ এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে যেসব থানার অধীনে ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন, সেসব থানার ওসি থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট জেলার এসপি ও তদূর্ধ্ব কমান্ডিং অফিসারদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই তালিকা আইসিটি ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়ে মামলা করা হবে।
চলমান কর্মসূচি প্রসঙ্গে রিফাত রশিদ জানান, আমাদের দ্বিতীয় কর্মসূচি হলো রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ‘অর্ডিন্যান্স’ জারি নিশ্চিত করা। এ বিষয়ে আইন উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মতবিনিময় করবে।
নির্বাচনকেন্দ্রিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৃতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নির্বাচনকালীন বৃহত্তম দুটি জোটের প্রধানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের নির্বাচন ইশতেহারে জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে সমুন্নত রাখা এবং বিপ্লবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হবে।
সাম্প্রতিক ঘটনাবলী উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, সুরভীদের সঙ্গে কী হয়েছে ও কী হচ্ছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই— এ ধরনের ঘটনা আর ঘটতে দেওয়া হবে না। কোথাও এ ধরনের ঘটনা ঘটলে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণা করেন, যেভাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জুলাই মাসে ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার ভ্যানগার্ড হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল, আবারও নতুন করে সব জুলাই বিপ্লবীদের সংগঠিত করে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র প্ল্যাটফর্ম’কে জুলাই বিপ্লবীদের ভ্যানগার্ড হিসেবে ঘোষণা করছি।
তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দাবি একটিই— শহীদ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচার।
এ সময় তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন দফা পেশ করেন। এগুলো হলো—