কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : যে দলের হাতে নিজেদের নেতাকর্মীরাই নিরাপদ নয়, সেই দলের হাতে একটি দেশ কীভাবে নিরাপদ থাকতে পারে—এমন প্রশ্ন তুলেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।
তিনি বলেন, গত দেড় বছরে ওই দল (বিএনপি) নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করেছে। তাদের হাতে নিজেদের লোকই যেখানে নিরাপদ নয়, সেখানে দেশবাসী কীভাবে নিরাপদ থাকবে?
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন মাঠে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ১১ দলীয় জোটের কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য কর্নেল (অব.) প্রফেসর ডা. জেহাদ খান।
জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা নাজমুল ইসলাম, এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা সভাপতি খাইরুল কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন এবং জেলা ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক মুজাহিদ বিল্লাহসহ স্থানীয় ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।
ডাকসু ভিপি বলেন, দুর্দিনে যারা আপনাদের ছেড়ে মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল, ১৭ বছর পর এসে চটকদার কথা ও নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা এখন ভোট চাচ্ছে। আপনারা কি তাদের নির্বাচিত করবেন, নাকি আদর্শবান নেতৃত্বকে বেছে নেবেন—সে সিদ্ধান্ত জনগণকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম।
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম আরও বলেন, জোট সরকারের সময় বাংলাদেশ যখন দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল, তখন জামায়াতে ইসলামীর শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ মন্ত্রী ছিলেন। তারা তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে এক পয়সার দুর্নীতিও কেউ প্রমাণ করতে পারেনি। আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে মন্ত্রী-নেতাদের বিরুদ্ধে এক পয়সার দুর্নীতির অভিযোগও কেউ তুলতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।