বিনোদন প্রতিবেদক : বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সংগীত প্রযোজনা প্ল্যাটফর্ম ‘স্প্লাইস’। লাখ লাখ প্রযোজক, সুরকার ও ডিজে ব্যবহার করেন এই প্ল্যাটফর্ম। এখানে বিভিন্ন দেশের রয়্যালটি-মুক্ত সংগীত সংগ্রহ পাওয়া যায়, যা আধুনিক ইলেকট্রনিক, পপ, চলচ্চিত্র, নিরীক্ষাধর্মী সংগীত প্রযোজনাসহ নানা আয়োজনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। সম্প্রতি স্প্লাইসে বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী আরমীন মুসা প্রকাশ করলেন ‘বাংলা বাউল ফোক ভোকাল’ শিরোনামের একটি নতুন প্রজেক্ট।
ভারতীয় সুরকার ধ্রুব গোয়েলের লেবেল আরহর সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি এই সংগীত সংগ্রহটি বাংলার শত বছরের পুরোনো আধ্যাত্মিক লোকসংগীত, যেখানে বাউলসংগীতের আবেগ ও গভীরতাকে আধুনিক বৈশ্বিক সংগীতের সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই প্রজেক্টের মিউজিকগুলো যেকোনো ইলেকট্রনিক সংগীত, চলচ্চিত্রের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, সাউন্ড ডিজাইনসহ নানা মাধ্যমে সংগীত আয়োজন করতে ব্যবহার করা যাবে।
বাংলা বাউল ফোক ভোকালে কণ্ঠ দিয়েছেন বাউলশিল্পী বেবি আখতার ও লোকমান সিদ্দিকী। প্রযোজনা করেছেন আরমীন মুসা। সাউন্ড মিক্সড করেছেন ইফতেখারুল আলম শুভ। আরমীন মুসা জানান, বেবি আখতার ও লোকমান সিদ্দিকী দুজনেই ভালো গেয়েছেন। দুজনের কণ্ঠেই বাংলার বাউল ধারার আধ্যাত্মিক, কাব্যিক ও স্বতঃস্ফূর্ত বৈশিষ্ট্য গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাউলসংগীতকে শুধু সংরক্ষিত লোকঐতিহ্য হিসেবে নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে মানানসই একটি নতুন ধারারূপে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এর আগে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সুরকার ও প্রযোজক কিশোন খান তাঁর একটি প্রজেক্টে বেবি আখতারকে নিয়ে কাজ করেছেন। প্রকল্পটিতে বেবি আখতারের কণ্ঠে বাউলসংগীতকে সমসাময়িক জ্যাজ ও আধুনিক ঘরানায় উপস্থাপন করেছেন তিনি।
বাংলা বাউল ফোক ভোকাল প্রজেক্টটি স্প্লাইসে প্রকাশিত দ্বিতীয় বাংলাদেশি স্যাম্পল প্যাক। প্রথমটি ছিল ‘সমকালীন বাংলা কোরাস’। এটিও প্রযোজনা করেছিলেন আরমীন মুসা।