বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২০ ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৫ রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

শিক্ষায় স্বচ্ছ ও ন্যায্য গ্রেডিং নিশ্চিতে গাকৃবিতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ

শাহানাজ পাটোয়ারি, গাজীপুর : শিক্ষায় স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা ও মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গাকৃবি) রুব্রিক-ভিত্তিক গ্রেডিং পদ্ধতি নিয়ে দিনব্যাপী শিক্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স সেল (আইকিউএসি) সেমিনার কক্ষে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। রুব্রিক-ভিত্তিক মূল্যায়নের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের অর্জনকে স্পষ্ট, মানদণ্ডভিত্তিক ও ন্যায়সংগতভাবে মূল্যায়ন করা অর্থাৎ একটি গুণগত, দায়িত্বশীল ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক গ্রেডিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকগণ সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাকৃবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. নাসরীন আক্তার আইভী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. ময়নুল হক এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সফিউল ইসলাম আফ্রাদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শরীফ রায়হান।

প্রশিক্ষণের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রফেসর ড. আইভী। তাঁর আলোচনায় উঠে আসে, কীভাবে পূর্বনির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করলে নম্বর প্রদান প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও আস্থাশীল হয়। পরে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ তাঁদের জ্ঞানগর্ব বক্তব্য রাখেন।

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করে বলেন, “অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আমাদের গ্রেডিং পদ্ধতি অনেক আধুনিক ও মানসম্মত। আজকের প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত মান নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে।” তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষকের দায়িত্ব কেবল পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দক্ষ শিক্ষক হওয়ার পাশাপাশি গবেষণায় উৎকর্ষ অর্জনেও সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে রুব্রিক প্রণয়ন, মানদণ্ড নির্ধারণ, গ্রেডিং স্কেল নির্মাণ ও ব্যবহারিক প্রয়োগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন ট্রেজারার ড. মোঃ সফিউল ইসলাম আফ্রাদ, প্রফেসর ড. নাসরীন আক্তার আইভী, প্রফেসর ড. শেখ শামীম হাসান এবং প্রফেসর ড. মোঃ মোতাহার হোসেন। শেষ পর্বে প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর সেশনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকবৃন্দ তাঁদের অভিজ্ঞতা ও মতামত বিনিময় করেন।