নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর তিন সরকারি হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছে র্যাব। এসময় রোগী ভাগিয়ে নেওয়াসহ নানা অপরাধমূলক কাজে জড়িত ১১ দালালকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (পঙ্গু হাসপাতাল) এই অভিযান চালায় র্যাব-২।
অভিযান পরিচালনা করেন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ।
তিনি জানান, তাদেরকে আটকের পর বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোগীদের জিম্মি করে যেসব বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এই অনৈতিক বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও পর্যায়ক্রমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
র্যাব জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি হাসপাতালে রোগী ভাগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। তারা গ্রাম ও বিভিন্ন স্থান থেকে হাসপাাতালে আসা সহজ-সরল রোগীদের স্বজনদের বিভ্রান্ত করতেন। পরে তাদের চুক্তিকৃত বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে ভাগিয়ে নিতো। এরপর তারা বিভিন্ন টেস্টের নামে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতো।
র্যাব-২-এর উপ-অধিনায়ক নিফাজ রহমান বলেন, সরকারি হাসপাতালে অনেক সময় লাগবে। বেসরকারীতে গেলে দ্রুত সেবা পাবে এবং কোনো ভোগান্তি হবে না নানা রকম কথা বলে রোগী ও রোগীর স্বজনদের তারা অন্যত্র ভাগিয়ে নিতো। পরে ভুঁইফোঁড় বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে ভুল চিকিৎসা দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতো তারা।