মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১০ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১১ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

নেইমার জাদুতেও জিতল না সান্তোস

স্পোর্টস ডেস্ক : মাঠে বল পায়ে পায়ের কারুকাজ দেখালেন, সতীর্থদের দিয়ে গোল করালেন, এমনকি প্রতিপক্ষ রক্ষণকে একাই ব্যস্ত রাখলেন, তবুও জয়ের দেখা পেল না নেইমারের সান্তোস। ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-তে মিরাসোলের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে লিগের অন্যতম সফল এই ক্লাবটিকে।

ম্যাচটিতে প্রথাগত ফরোয়ার্ডের চেয়ে প্লে-মেকার বা কারিগর হিসেবেই বেশি উজ্জ্বল ছিলেন নেইমার। দলের একমাত্র গোলটির রূপকার ছিলেন তিনি।
তার চমৎকার এক অ্যাসিস্ট থেকেই গোল পায় সান্তোস। পরিসংখ্যান বলছে, পুরো ম্যাচে নেইমার ৬টি ‘কী পাস’ (গোল করার মতো পাস) দিয়েছেন, যা মাঠের অন্য যেকোনো ফুটবলারের চেয়ে বেশি।
যদিও ৬টি ক্রস করে মাত্র ১টি সতীর্থের কাছে পৌঁছাতে পেরেছেন তিনি।

পুরো নব্বই মিনিটে নেইমারের পায়ে বল ছিল ৯৮ বার।
বিপক্ষ সীমানায় ৫৪টি পাসের মধ্যে ৪২টিই সফলভাবে দিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে তার পাসের সাফল্যের হার ছিল ৭৯ শতাংশ। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ওপরে ওঠার দায়িত্বটাও ছিল তার কাঁধে। মোট ৩৭ বার বল নিয়ে ড্রিবল করে ৩৩৮ মিটার পথ পাড়ি দিয়েছেন নেইমার, যার বড় অংশই ছিল প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের দিকে।

গোল পেতে নেইমার নিজেও ছিলেন মরিয়া। পুরো ম্যাচে তিনি ৭টি শট নেন, যার ৩টি ছিল অন টার্গেটে। তবে মিরাসোলের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় কাঙ্ক্ষিত গোলটি আর পাওয়া হয়নি তার। তার নেওয়া একটি শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে প্রতিহত হয়।

ম্যাচের শেষ দিকে একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় মিরাসোল। দ্বিতীয়ার্ধের নির্ধারিত সময়ের পর আরও ৭ মিনিট যোগ করা হলেও সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জয়সূচক গোলটি আদায় করতে পারেনি সান্তোস। নেইমার ব্যক্তিগতভাবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও দলের ড্র এড়ানো সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য, ইনজুরি কাটিয়ে ফেরার পর চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে আছেন এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার। এখন পর্যন্ত ১১ ম্যাচে নেইমারের গোল সংখ্যা ৬টি, পাশাপাশি ৩টি গোলে সহায়তা করেছেন তিনি। জনপ্রিয় ফুটবল অ্যাপ ‘সোফাস্কোর’-এ তার গড় রেটিং ৭.৬৫, যা লিগের অন্যতম সেরা।