মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
১৫ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
১০ জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

নবীনগরে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিচ্ছেন সাড়ে ৪ হাজার শিক্ষার্থী

নবীনগর ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া ) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুৎবিভ্রাট ঘটার কারণে চলমান এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনালের ১১টি কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় ৪ হাজার ৪৭৪ জন পরীক্ষার্থী মোমবাতির আলোয় দিচ্ছেন পরীক্ষা।

বিদ্যালয় হলো, নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট উচ্চ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে চলছে এসএসসি ও নারায়ণপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল। ওই কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা যায় পরীক্ষা শিক্ষার্থী মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিতে।

জানা যায়, আজ সকাল থেকে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে নবীনগরে পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করার কারণে গোটা নবীনগরে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়।

ফলে শিক্ষার্থীদের কক্ষে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় শিক্ষার্থীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছেন।

পরীক্ষার হল অন্ধকার হয়ে পড়ায় আলোর অভাবে অনেকেই উত্তরপত্রে লেখার সময় সমস্যায় পড়েছেন। এ বছর নবীনগর উপজেলায় এসএসসি ৮, দাখিল ২টি ও ভোকেশনাল ১টি, মোট ১১টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৪৭৪ জন পরীক্ষা দিচ্ছেন।

শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে তার অভাব দেখা যাচ্ছে, যা পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক।

নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, ঝড় বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন জায়গায় তারের ওপর গাছের ডাল পালা ভেঙে পড়ে থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রে মোমবাতি ও চার্জলাইটের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আবদুল ওয়াদুদ হোসেন বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো বাতাসের কারণে বিভিন্ন জায়গায় গাছপালা ভেঙে তারের ওপর পরে থাকায় ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে । আমরা কাজ শুরু করেছি, দ্রুতই সমাধানের চেষ্টা চলছে।

বিদ্যুৎ না থাকায় অভিভাবকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারায় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকে দায়ী করছেন অভিভাবকরা।

দুপুর ১১ টা ৫০ মিনিটে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন ছিল প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্র।