স্পোর্টস ডেস্ক : নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে শুরুটা ভালো হলেও দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। বৃষ্টিবিঘ্ন এই ম্যাচের সেই চাপ আর কাটাতে পারেনি স্বাগতিকরা।
শেষ ৬ ব্যাটসম্যান মিলে যোগ করেন মাত্র ১৭ রান। বৃষ্টির জন্য নির্ধারিত ১৫ ওভারও খেলতে পারেনি বাংলাদেশ।
১৪.২ ওভারে সবকয়টি উইকেট হারিয়ে ১০২ রান সংগ্রহ করে লিটনরা।
ইনিংসের চতুর্থ ওভারে প্রথম ধাক্কা আসে।
টি-টোয়েন্টি অভিষেকে জেডেন লেনক্স প্রথম বলেই সাফল্য পান। বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন সাইফ হাসান।
১১ বলে ১৬ রান করে ফেরেন এই ওপেনার।
তবে দ্রুতই পাল্টা আক্রমণ করেন লিটন দাস। ক্রিজে এসেই কয়েকটি বাউন্ডারিতে স্কোরের গতি বাড়ান তিনি। চার ও ছক্কায় অল্প সময়েই রান তোলার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।
কিন্তু পঞ্চম ওভারে আবারও ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ন্যাথান স্মিথের টানা দুই বলে দুই উইকেট হারায় দলটি। প্রথমে ভুল শট খেলে বোল্ড হন তানজিদ হাসান, ১০ বলে করেন ৬ রান। পরের বলেই পারভেজ হোসেন থার্ড ম্যানের হাতে ক্যাচ দেন, রানের খাতা খোলার আগেই ফিরতে হয় তাকে।
এভাবে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তবে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় মিলে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। ৬.৪ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৫০ রান থাকা অবস্থায় নামে বৃষ্টি। ফলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। নির্ধারিত সময় কমিয়ে আনা ১৫ ওভারের এই ম্যাচে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহ গড়ার পথ কঠিন করে ফেলে স্বাগতিকরা।
ইনিংসের নবম ওভারে অধিনায়ক লিটন আউট হয়ে গেলে বাংলাদেশের চাপ আরও বেড়ে যায়। জশ ক্লার্কসনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে কাভারে ক্যাচ দেন তিনি। ১৭ বলে ২৬ রান করে বিদায় নেন লিটন, তার ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও একটি ছক্কা। সেই সঙ্গে ভাঙে ২২ বলে গড়া ২৮ রানের জুটি।
এর কিছুক্ষণ পরই বিপদে পড়েন তাওহীদ। রান নেওয়ার চেষ্টায় রানআউটের শঙ্কায় পড়লেও কিপারের ভুলে জীবন পান তিনি।
পরের ধাপে আরেকটি ধাক্কা খায় দল। শামীম হোসেন ইশ সোধির একটি বল রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন। সহজেই ক্যাচ নেন ফিল্ডার। ৮ বলে ৩ রান করে ফিরে যান শামীম। একই ওভারে শেখ মেহেদি হাসান এলবিডব্লিউর শঙ্কা থেকে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান।
এরপর আরও চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। জশ ক্লার্কসনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন তাওহীদ। তিনি ৩৩ রান যোগ করেন। তার বিদায়ের পর আসা-যাওয়ার মিছিলে ছিল বাংলাদেশ। পরের ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১০২ রানে থামে বাংলাদেশ।