শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৫ জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জনস্বস্তির বাজেট

নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার পূরণ এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে সাধারণ মানুষের পকেটের চাপ কমিয়ে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার লক্ষ্য নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হচ্ছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট। ‘জনতুষ্টি ও স্বস্তি’- এই দুই মূলমন্ত্র সামনে রেখে সরকার এবার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এক বিশাল ব্যয় পরিকল্পনা সাজিয়েছে। বিশাল এই বাজেটের বিপরীতে সরকারের মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যেখানে সামগ্রিক ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকার জিডিপি আকারের এই বাজেটে দেশের মোট বিনিয়োগ ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার এক সাহসী প্রাক্কলন করা হয়েছে। বাজেটের সবচেয়ে বড় চমক ও স্বস্তির বার্তা থাকছে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য। জনজীবনে স্বস্তি ফেরাতে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দেওয়া হচ্ছে ব্যাপক করছাড়। একই সঙ্গে করদাতাদের স্বস্তি দিতে বাড়ানো হচ্ছে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়ের সীমাও। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মাঝেও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫ শতাংশে বেঁধে রেখে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতা।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেটে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেটে দেশের সব খাতের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ছাড়া বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে আমরা চেষ্টা করেছি ব্যবসায়ীদের (বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়ী হতে পারেন, ট্রেডারও হতে পারেন অথবা ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট হতে পারেন) জন্য এমন সুবিধা তৈরি করতে, যাতে তারা সুন্দরভাবে ব্যবসা এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি এবারের বাজেটটি সেভাবেই তৈরি করতে। তারই অংশ হিসেবে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট এবং বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচার সরকারের সময়ে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই দেশকে গড়ে তুলতে হলে অর্থনৈতিক সুশৃঙ্খলা বা ডিসিপ্লিন ফিরিয়ে আনতে হবে এবং একই সঙ্গে দেশে ব্যবসাবান্ধব একটি পরিস্থিতি বা পরিবেশও গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে আমদানি ও রপ্তানি নিবন্ধন প্রক্রিয়া অনলাইনের মাধ্যমে দ্রুত সম্পন্ন করা, আমদানি ও রপ্তানি নীতি হালনাগাদ, রপ্তানির উদ্দেশ্যে আমদানির ক্ষেত্রে অশুল্ক বাধা দূর করার পদক্ষেপ, বন্ডেড এবং নন-বন্ডেড সব প্রতিষ্ঠানকে এফওসি ভিত্তিতে আমদানির সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

আগামী অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রণয়নের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এর মধ্যে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে মোট বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। অর্থনীতির আকার বা জিডিপি নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে বাজেটের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে ঘাটতি অর্থায়নের কাঠামো। মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতির মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা। একই সময়ে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ বাবদ পরিশোধ করা হবে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা। ফলে নিট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা।

জানা গেছে, কর্মসংস্থান তৈরিতে থাকছে বিশেষ নজর। এ জন্য বিনিয়োগে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটাতে চায় সরকার। দেশের বিনিয়োগ ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করতে চায়। এক্ষেত্রে সরকারি বিনিয়োগে বেশি নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আগামী অর্থবছরে সরকারি বিনিয়োগ বাড়িয়ে ১৩ দশমিক ১ শতাংশে উন্নীত করতে চান অর্থমন্ত্রী। আর বেসরকারি বিনিয়োগ ২১ দশমিক ৪ শতাংশ করতে চায় সরকার। আর দেশের জিডিপির আকার ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে।

অর্থ বিভাগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জনতুষ্টিকে সামনে রেখে আগামী বাজেটের মূল অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্যে উচ্চ প্রবৃদ্ধির ধারা ফিরিয়ে আনা এবং কল্যাণমূলক অর্থনীতির ভিত্তি শক্তিশালী করা। অন্যদিকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি কল্যাণকর অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যুবসমাজকে দক্ষ করে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ভৌত ও সামাজিক অবকাঠামো খাতে সঠিক প্রকল্প নির্বাচন, বিজ্ঞানভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও জনগণের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার মতো জনকল্যাণমুখী খাতগুলো থাকছে এই বাজেটের মূল কেন্দ্রে। একই সঙ্গে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে পুনর্গঠন, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা, বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়নে আইনি জটিলতা দূরীকরণ এবং চলচ্চিত্র, ক্রীড়া ও গ্রামীণ সংস্কৃতির মতো সৃজনশীল অর্থনীতি খাতের বিকাশকে এবার বিশেষভাবে প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার।

অন্যদিকে সবচেয়ে বড় স্বস্তির খবর এসেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে; চাল, ডাল, তেলসহ ৬০টি জরুরি পণ্যের উৎসে কর এক ধাক্কায় প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি, জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি ও অবদানকে সম্মান জানিয়ে সাধারণ করদাতাদের পাশাপাশি ‘জুলাই যোদ্ধা’ ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের বিশেষ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বড় ধরনের সংস্কার ও জনমুখী কর ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। সরকারের মধ্যমেয়াদে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশ এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার অংশ হিসেবে এই নতুন রাজস্ব কাঠামোর রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। এবারের বাজেটে করের হার বাড়ানোর চেয়ে করভিত্তি সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধ এবং সম্পূর্ণ অটোমেশনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

করদাতাদের সুবিধার্থে এবং কর কাঠামোর পূর্বাভাস পাওয়ার সুযোগ দিতে আগামী ৫ বছরের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ও কর হার নির্ধারণ করা হয়েছে। সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হচ্ছে। ২০২৮-৩০ করবর্ষে ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত হবে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চাপ থেকে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে এবং চিকিৎসাসেবা সুলভ করতে বড় ধরনের কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। কৃষি ও ভোগ্যপণ্য ধান, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ভোজ্যতেল, চিনি ও লবণসহ ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎসে করের হার সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে মাত্র ০.৫ শতাংশ করা হচ্ছে। কিডনি রোগীদের ডায়ালিসিস ফিল্টার আমদানিতে ৫ শতাংশ অগ্রিম কর, ১৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। ফলে প্রতি ডায়ালিসিসে ব্যয় প্রায় ৮০০ টাকা কমবে। এ ছাড়া হার্টের রিং ও চোখের লেন্স সরবরাহে ১০ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের ফলে রিংয়ের দাম প্রায় ২০ হাজার টাকা এবং লেন্সের দাম প্রায় ৫ হাজার টাকা কমবে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ক্ষমতাসীন বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষা, কৃষি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করেছে অর্থবিভাগ। বাজেট পরিকল্পনায় দেশের অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বৈষম্যহীন দেশ গঠনের অঙ্গীকার; এক বছরে অন্তত ১০ লাখ মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে তারেক রহমান দেশে ফেরার সময় সবচেয়ে বেশি প্রচার পায় ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান। এই দর্শন স্থান পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম বাজেট প্রস্তাবনাতেও। এ জন্য দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে টেনে তুলতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ও নতুন নতুন উদ্যোগক্তা সৃষ্টির জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করেছেন আসছে বাজেটে। কর্মসংস্থানে বৈচিত্র্য আনতে উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’ নামক নতুন এক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। একইভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতের জন্য আসন্ন বাজেটে ২০০ টাকার বরার এক বিশেষ তহবিল বরাদ্দ করা হবে।

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ আমাদের সময়কে বলেন, নতুন সরকারের এই বাজেটে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন থাকা অত্যন্ত জরুরি। কারণ, এর সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার প্রশ্নটি সরাসরি সম্পৃক্ত। নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো বাজেটে সঠিকভাবে মূল্যায়িত হলে জনমনে স্বস্তি ফিরবে।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতি এখন এক ধরনের স্থবিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই স্থবিরতা কাটাতে সরকারকেই মূল ভূমিকা ও উদ্যোগ নিতে হবে। বর্তমান বাস্তবতায় বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে, তা ধরে রাখা বেশ কঠিন হবে। তবে সরকারি উদ্যোগে যদি বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, তাহলে প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৫ শতাংশ হলেও মূল্যস্ফীতি অনেকটাই কমে আসবে।

বেসরকারি খাতকে চাঙ্গা করার বিষয়ে জোর দিয়ে এই অর্থনীতিবিদ আরও বলেন, ‘বেসরকারি খাতকে গতিশীল করতে হলে প্রয়োজনে ঘাটতি বাজেট করে হলেও সরকারি ব্যয় বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে কমিয়ে আনতে হবে সুদের হার। সুদের হার কমলে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার সাহস পাবেন।’

নতুন বাজেটের ইতিবাচক দিক ও চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, সরকার যেসব খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, তা নিঃসন্দেহে সময়োপযোগী। বিশেষ করে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে যেসব উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তবে এই খাতের প্রকৃত সুফল নিশ্চিত করতে হলে শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি।